উত্তরবঙ্গ

বেড়েছে শিশু ভর্তির সংখ্যা। এক বেডে ৩ শিশু। ১৪০ শিশু নিয়ে গাদাগাদি ভিড় জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালে।

জলপাইগুড়ি, ২১ সেপ্টেম্বরঃ একই বেডে তিন শিশু। গাদাগাদি ভিড় জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালে। একই বেডে রয়েছে জ্বরে আক্রান্ত ৩ টি করে শিশু। চরম ভোগান্তির শিকার জ্বরে আক্রান্ত শিশুরা। জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতাল নিয়ে এমন অভিজ্ঞতার কথাই জানিয়ে গেলেন হাসপাতাল থেকে আজই ছুটি হয়ে যাওয়া এক ভুক্তভোগী মা। আজও হাসপাতালের বহির্বিভাগ ও ইন্ডোরে উপছে পড়েছে জ্বরে আক্রান্ত শিশুদের ভিড়। একই সাথে ভিড় বাড়ছে বেসরকারি শিশু চিকিৎসকদের ক্লিনিক গুলিতেও। সেখান থেকেও প্রচুর অসুস্থ শিশুকে রেফার করা হয়েছে জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালে।

অপরদিকে আজ জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালে জ্বরে আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা ক্রমে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪০ এ। গতকাল এই সংখ্যা ছিল ৯১। ক্রমে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বেড়ে চলায় জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালের শিশু বিভাগে ৪০ টি বেড বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে ইতিমধ্যেই জানিয়েছিলেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বলা হয়েছিল নির্মিয়মান পিকু ওয়ার্ডে নতুন করে পেডিয়েট্রিক থ্রি নামে নতুন ৩০ শয্যা বিশিষ্ট শিশু বিভাগ চালু করা হবে। বাকি ১০ টি বেড ১ ও ২ নং ওয়ার্ড মিলিয়ে বৃদ্ধি করা হবে। কিন্তু আজও চালু হয়নি ৩০ শয্যা বিশিষ্ট পেডিয়েট্রিক ওয়ার্ড থ্রি। সেখানে দেখা গেলো দড়জায় তালা দিয়ে রাখা হয়েছে। ওয়ার্ড জীবানু মুক্ত করার কাজ চলছে বলে জানা গিয়েছে। তবে শিশু বিভাগে শয্যা বাড়াবার উদ্যোগ যদি আর একটু আগে থেকে করা যেতো তবে এই ছোট বেড গুলিতে ছোট্ট ছোট্ট শিশুদের একই বেডে তিনজন করে গাদাগাদি অবস্থায় থাকতে হতো না বলেই মনে করছেন রোগীর বাড়ির আত্মীয়রা।

এই ব্যাপারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কিছু না বলতে চাইলেও, জলপাইগুড়ি রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান তথা তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ বিজয় চন্দ্র বর্মন সমস্যার কথা স্বীকার করে নিয়ে বলেন, “আচমকাই জ্বরের ঢেউ শুরু হয়েছে। তাই হাসপাতালে রোগীর ভিড় বেড়েছে। আজ ১৪০ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। বেড বাড়াবার প্রস্তুতি প্রায় শেষ।“